খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

অস্ত্র–গুলির সঙ্গে পাওয়া গেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাক সাত ডাকাতের সঙ্গে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ছয়টি গুলি, ওয়াকিটকি, পুলিশের লোগোযুক্ত হাতকড়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পোশাক, গাড়ির ভুয়া নম্বর প্লেটসহ ডাকাতিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ব্যক্তিগত গাড়িও উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. তৈয়ব আলী সর্দার (৪৫), পাভেল সর্দার (৩৩), সাইফুর রহমান (৪৫), রাব্বি আলম (২৪), ইমরান হোসেন ভূঁইয়া (২৮), নুরুল ইসলাম (৩৩) ও মো. ইসমাইল (২৮)।

পাভেল সর্দার বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চাকরিচ্যুত পেটি অফিসার এবং রাব্বি আলম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত সৈনিক। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, ১৪ আগস্ট রাত সাড়ে তিনটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, কামরাঙ্গীরচর থানার বেড়িবাঁধসংলগ্ন দূরানী ব্রিজের দক্ষিণ পাশে ফাঁকা জায়গায় ছয়-সাতজনের একটি ডাকাত দল ডাকাতির পরিকল্পনা করতে সমবেত হয়েছে। তারা বিভিন্ন বাহিনীর নাম ও পদবি ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পোশাক, ওয়াকিটকি এবং দেশি-বিদেশি অস্ত্র ব্যবহার করে দস্যুতা ও ডাকাতি করে আসছিল।

ওই তথ্যের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনারের (লালবাগ) নেতৃত্বে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তৈয়ব আলী সর্দারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর সঙ্গে থাকা অন্যরা পালিয়ে যান। তাঁর কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন ও একটি পকেট রাউটার উদ্ধার করা হয়।

তৈয়বকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই দিন উত্তরখান এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাভেল সর্দারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে একটি কিরিচ, দুটি মুঠোফোন, র‍্যাবের লোগোযুক্ত একটি পরিচয়পত্র রাখার খাপ, সেনাবাহিনীর দুটি ফিল্ড ক্যাপ ও একটি কালো লেজার লাইট উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, তৈয়ব ও পাভেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দর এলাকা থেকে সাইফুর রহমান, রাব্বি আলম, ইমরান হোসেন, নুরুল ইসলাম ও মো. ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিমানবন্দর থানার সেন্টার পয়েন্ট শপিংমলের পার্কিং এলাকা থেকে একটি কালো ওয়াকিটকি সেট, বাংলাদেশ পুলিশের লোগোযুক্ত একটি হাতকড়া, গাড়ির দুটি ভুয়া নম্বর প্লেট, র‍্যাব লেখা তিনটি পোশাক, ডিবি লেখা একটি পোশাক, দুটি প্রতিফলক পোশাক, কালো রঙের পাঁচটি প্রতিফলক স্টিকার, হলুদ রঙের পাঁচটি প্রতিফলক স্টিকার, একটি কালো পিস্তলের খাপ, একটি খেলনা পিস্তল ও তিনটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাঁরা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি ও দস্যুতা করতেন। পরে ইমরান হোসেনের দেওয়া তথ্য ও দেখানো জায়গা অনুযায়ী গতকাল শনিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার রূপসী গ্রামে তাঁর বোনের বাসা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও ছয়টি গুলি উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া তৈয়ব আলী সর্দারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল আটটার দিকে ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁর মালিকানাধীন ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ব্যক্তিগত গাড়ি উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, উদ্ধার করা পিস্তলটি তৈয়ব আলী সর্দার পাঁচ-ছয় দিন আগে ইমরানের কাছে হস্তান্তর করেছিলেন। তৈয়ব আলী সর্দারের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও দস্যুতাসহ ৪৫টি মামলা এবং পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশ জানায়, গত মে মাসে যাত্রাবাড়ী এলাকায় একটি ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ওই ঘটনায় তৈয়ব ও পাভেলের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। এ ছাড়া গত ১৩ জুলাই খিলক্ষেত থানার কুড়িল বিশ্বরোড ফ্লাইওভারে ডাকাতির ঘটনায় তৈয়বের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সম্প্রতি একাধিক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কামরাঙ্গীরচর থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে একটি মামলা এবং রূপগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে পৃথক একটি মামলা করা হয়েছে। পলাতক অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সুত্র : প্রথম আলো

তানজিলা রহমান । বার্তা বিভাগ । যোগফল অনলাইন 

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম